হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭ জনে। চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউন এ তথ্য জানিয়েছে।
চ্যানেল আই জানিয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মৃত্যু হওয়া চারজনই শিশু। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে এই পরিসংখ্যান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে; সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭ জনে।
দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের মিল থেকে প্রতীয়মান হয়, ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া প্রাণহানির ধারা আজও থেমে নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যুর খবরে কেবল নিশ্চিত হাম নয়, হামের উপসর্গেও প্রাণ হারানোর ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নিশ্চিত হামে মারা যাওয়াদের চেয়ে হামের উপসর্গে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, যা রোগটির বিস্তার ও শনাক্তকরণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
পরপর দিন মৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত এই উদ্যোগে রোগটির করাল থাবা আঁচ করা যায়। হাম থেকে শিশুদের রক্ষায় টিকাদানই নির্ভরযোগ্য পথ বলে স্বীকৃত; এমন প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদনগুলোর সংখ্যাগুলো উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিশ্চিত হামের তুলনায় হামের উপসর্গে মৃত্যু অনেক বেশি—এ পার্থক্যও বিশেষজ্ঞদের নজরে রয়েছে। শিশুদের এই প্রাণহানির ধারা বন্ধে স্বাস্থ্যব্যবস্থার মনোযোগ যেমন তেমনভাবে সাধারণ মানুষের মাঝেও সচেতনতা জরুরি হয়ে উঠেছে। গত এক বছরের ব্যবধানে দেশে হাম নিয়ে আলোচনাও বেড়েছে; এমন সময়ে প্রতিদিনের এই মৃত্যুর হিসাব রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পর্যালোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই খবরটি চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।