রামরুর গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে বহু মানুষের পেশা

- রামরুর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মিলনে অভিবাসন, বাস্তুচ্যুতি ও মানবপাচারবিষয়ক গবেষণা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং অভিবাসীদের অধিকার ও সুরক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়
- অভিবাসন খাতে গবেষণা ও মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা বহু মানুষের পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে
- নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এক বক্তা বলেন, গবেষণার কাজে গিয়ে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত একটি বাড়ি পরিষ্কার করে থাকার উপযোগী করতে হয়েছিল
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা হলে রামরুর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘সোনার মানুষ সম্মিলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন।
অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমুদ্দিন খান।
নিজেদের উদ্যোগে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, মাঠপর্যায়ের কাজের পরিকল্পনা, তথ্য সংগ্রহ এবং পরবর্তী দিনের কার্যক্রম নির্ধারণ করতে হয়েছে।
এসব অভিজ্ঞতা বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করেছে।
রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান, গবেষণা ও বিভিন্ন পেশাগত কর্মকাণ্ডে কাজে লেগেছে বলে জানিয়েছেন সাবেক গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় গবেষণা ও মাঠপর্যায়ে কাজের সুযোগ সীমিত ছিল।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





