ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা: ডিএমপি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছেন বলে ধারণা পুলিশের।
বাংলা ট্রিবিউন জানিয়েছে, কার নির্দেশে ও কী কারণে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে, এ বিষয়ে জানিয়েছে ডিবি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত। চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনেও একই তথ্য উঠে এসেছে—ঘটনাগুলোয় নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
রাজধানীর গণপরিবহনে আগুন দেওয়ার এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ডিবির বক্তব্য অনুযায়ী, ওইসব ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সংগঠনের সাংগঠনিক মেশিন। শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার ইঙ্গিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে নামছেন বলে পুলিশের ধারণা। এসব ঘটনা ঘটিয়ে জনগণের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কারা এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত, তা নিয়ে ডিবির তদন্ত চলছে। তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করাসহ নাশকতা ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। আগামী দিনে এসব ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেলে তা সর্বসাধারণের সামনে তুলে ধরা হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের এই প্রকাশিত তথ্য নিয়ে জনমনে ব্যাপক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপই পুরো বিষয়টির নতুন মাত্রা নির্ধারণ করবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ও গণপরিবহনে টানা অগ্নিসংযোগের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলেও সংশ্লিষ্ট মহলে মত প্রকাশ পেয়েছে।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।