ডেঙ্গু রোগীর জ্বর কমার পর যে বিষয়গুলোয় সতর্কতা দরকার

- রোগী ও স্বজনদের দৃষ্টি প্রায়ই প্লাটিলেটের সংখ্যায় আটকে থাকে
- সাধারণত সবাই প্লাটিলেট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, কিন্তু ডেঙ্গুর তীব্রতা ও জটিলতা বুঝতে হেমাটোক্রিট বেশি সহায়ক
- যেসব গুরুতর জটিলতা হতে পারে প্লাজমা হলো রক্তের তরল অংশ
অনেকের ক্ষেত্রে তা সত্য হলেও, ডেঙ্গু রোগীর জন্য জ্বর নামার সময়টিই হতে পারে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
প্লাজমা লিকেজ বেশি হলে রক্তচাপ ও টিস্যুতে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে ডেঙ্গু শক হতে পারে।
শুধু রক্তে প্লাটিলেট কত আছে সেটা দেখে ডেঙ্গুর তীব্রতা বিচার করা ঠিক নয়।
আবার অতিরিক্ত শিরায় ফ্লুইড দিলে পরে ফ্লুইড ওভারলোড, ফুসফুসে পানি জমা, শ্বাসকষ্ট বা হৃদ্যন্ত্রের জটিলতা দেখা দিতে পারে।
যেকোনো সংক্রমণ বা জ্বরে সবাই মনে করে, জ্বর কমেছে মানে রোগী সুস্থ হচ্ছে।
সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে কিডনি, লিভার, মস্তিষ্ক ও হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।
প্লাজমা লিকেজের সময় পর্যাপ্ত ফ্লুইড না পেলে রক্তসঞ্চালনের পরিমাণ কমে গিয়ে রোগীর শক ও অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।
রক্তনালি থেকে বেরিয়ে যাওয়া তরল শরীর থেকে হারিয়ে যায় না।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





