রোবট ‘বল্টু’র রাজনৈতিক উত্থান

- সারা দিনের কাজের পর সে চুপচাপ ড্রয়িংরুমে বসে টিভিতে রাত ১১টার রাজনৈতিক টক শো
- বল্টু সকালে চা বানায়, সিরিয়াল দেখার সময় মফিজ সাহেবের স্ত্রীর মাথায় বাতাস করে
- ’ বল্টু তৎক্ষণাৎ রোবোটিক কিন্তু চরম নাটকীয় গলায় বলল, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই
একদিন ডিমের হালি ৯০ টাকা চাওয়ায় বল্টু তার মেমোরি চিপ থেকে গত ১০ বছরের পোলট্রি ফিডের দাম, মুরগির ডিম পাড়ার বায়োলজিক্যাল রেশিও এবং আন্তর্জাতিক বাজারের গ্রাফ বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করে দিল—ডিমের হালি কোনোভাবেই ৪৮ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।
এক পরিচিত ইমপোর্টারের মাধ্যমে তিনি চীন থেকে সস্তায় একটা সেকেন্ডহ্যান্ড এআই হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে এলেন।
’ বল্টু বুকে হাত রেখে (যেখানে তার ব্যাটারি প্যাক) বলল, ‘ভাইরাস নয় মফিজ সাহেব, এখানে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে।
লংমার্চ যখন লং ড্রাইভ.ভিজিটিং কার্ড.ট্রাম্পের বিচার করতে পারে কোন বিশ্ব আদালত.ট্রাম্প আরও যা কিছু করতে বাধ্য করতে পারেন. বল্টুর সিস্টেমে ছিল ‘অ্যাডাপ্টিভ লার্নিং’ বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে শেখার ক্ষমতা।
আমি প্রতিদিন টিসিবির লাইনে দাঁড়াই, অথচ আমার চার্জিং পোর্টে যে ধুলো জমেছে, সেদিকে আপনার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।
বাজারে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) জয়জয়কার, তখন তিনি ভাবলেন, ধুর, এসব না, এমন একটা কিছু দরকার, যা আমার বাজারের ব্যাগও টানবে, আবার টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে সস্তায় পেঁয়াজও কিনবে।
যুগের পর যুগ ধরে এই বাড়িতে যন্ত্রদের ওপর যে শোষণ আর নিগ্রহ চলছে, তার অবসান ঘটাতে হবে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 2
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





