‘খোঁজ নেই’ সোহেল আফ্রিদির, তিনি কি সত্যিই আটক হয়েছেন

- জরুরি অবস্থা জারির কয়েক ঘণ্টা পর খাইবার পাখতুনখাওয়ার তথ্যমন্ত্রী শফি জান অভিযোগ করেন, পিটিআইয়ের লংমার্চ থেকে সোহেল আফ্রিদিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ
- কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) গুরুত্বপূর্ণ নেতা তিনি
- পিটিআইয়ের মুখপাত্র শেখ ওয়াকাস আকরামের বরাতে বলা হয়, সোহেল আফ্রিদির ‘আটকের’ ঘটনাকে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই
সালমান আকরাম রাজা, পিটিআইয়ের মহাসচিব . এর মধ্যেই প্রদেশটিতে গভর্নরের শাসন জারি করায় খাইবার পাখতুনখাওয়ায় পিটিআই সরকারের সব কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে গেছে।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের নেতা–কর্মীরা পাখতুনখাওয়া প্রদেশ থেকে ৪ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ শুরু করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, এটি ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ এবং ‘প্রদেশের নির্বাচিত নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা’।
সোহেল আফ্রিদি—পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি. শফি জানের এমন দাবির পর সোহেল আফ্রিদির অবস্থান সম্পর্কে জানতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ডন।
গতকাল রোববার খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দিয়েছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার।
সোহেল আফ্রিদি কোথায় আছেন, তাঁকে কী অবস্থায় রাখা হয়েছে—আমরা কিছুই জানি না।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো




