ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর হাসপাতাল ছাড়লেন ক্রিস্টা পাইক, আবারও ফিরলেন কারাগারে

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর হাসপাতাল ছাড়লেন ক্রিস্টা পাইক, আবারও ফিরলেন কারাগারে
এক নজরে
  • যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি ক্রিস্টা পাইক গত মাসের শেষে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা
  • গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকার ১০ দিন পর তাঁকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়েছে
  • পাইকের বয়স যখন ১৮ বছর, তখন তিনি তার তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যা করেন

শনিবার আইনজীবীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৫০ বছর বয়সী পাইককে সেই কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি গত ৩০ বছর কাটিয়েছেন।

গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ) পেন্টোবারবিটাল নামের ওষুধ ব্যবহার করে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়।

আইনজীবীদের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন কঠিন পরিস্থিতিতে তাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য জরুরি সেবাকর্মী ও চিকিৎসকদের প্রতি পাইক কৃতজ্ঞ।

টেনেসি অঙ্গরাজ্যের সংশোধন বিভাগ এখনো জানায়নি, কেন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়াটি সফল হয়নি।

আদালতের এক শুনানিতে টেনেসির সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল উইল আয়ার্স জানান, পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আরেকটি চেষ্টা করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

বরং তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আইনজীবীদের ধারণা, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি হতে পারেন তিনি।

অপরাধের সময় শিপের বয়স কম থাকায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।