মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, ১০ দিন পর কারাগারে ফিরলেন ক্রিস্টা পাইক

- নেতানিয়াহু সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরব জোট নেতার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার ১০ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইক
- গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকার ১০ দিন পর তাঁকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়েছে
ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে কারাগারে ক্রিস্টা পাইক ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে কারাগারে ক্রিস্টা পাইক যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেনের আঘাতে নিহত ৪, বিদ্যুৎহীন লাখো মানুষ দিল্লির রাজপথে ঢাকার প্রতিধ্বনি: মোদির ভবিষ্যৎ কোন পথে?
’ আরও পড়ুন#### যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেনের আঘাতে নিহত ৪, বিদ্যুৎহীন লাখো মানুষ Image ১২: যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেনের আঘাতে নিহত ৪, বিদ্যুৎহীন লাখো মানুষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টায় কী ঘটেছিল?
গত ৩০ সেপ্টেম্বর টেনেসি অঙ্গরাজ্যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়।
আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন অচেতন থাকার পর চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার জ্ঞান ফিরে পান পাইক।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর পাইককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
টেনেসি অঙ্গরাজ্যের সংশোধন বিভাগ এখনো জানায়নি, কেন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়াটি সফল হয়নি।
আদালতের এক শুনানিতে টেনেসির সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল উইল আয়ার্স জানান, পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আরেকটি চেষ্টা করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
আইনজীবীদের ধারণা, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি হতে পারেন তিনি।
পাইকের বয়স যখন ১৮ বছর, তখন তিনি তার তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যা করেন।
শনিবার (১১ অক্টোবর) আইনজীবীদের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৫০ বছর বয়সী পাইককে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীদের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন কঠিন পরিস্থিতিতে তাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য জরুরি সেবাকর্মী ও চিকিৎসকদের প্রতি পাইক কৃতজ্ঞ।
এ সময় পেন্টোবারবিটাল নামের ওষুধ দিয়ে দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করা হলেও তিনি মারা যাননি।
গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে থাকা অবস্থায় পাইকের হাত ফুলে গিয়েছিল, তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং গিলতে অসুবিধা হচ্ছিল।
আইনজীবীরা বলেছেন, তার সুস্থ হয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
বরং তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অপরাধের সময় শিপের বয়স কম থাকায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
- যুগান্তর-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ jugantor
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





