আন্তর্জাতিকযাচাই চলছে

তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার
এক নজরে
  • পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী ১০ বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন খারিজ হয়েছে
  • শুনানি শেষে স্পিকার ওই আবেদন খারিজ করে দিয়ে জানিয়ে দেন পরবর্তী সময় তারা যথাযথ আইন নিয়ে আবার আবেদন করতে পারবেন
  • গতকাল বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু শুনানি শেষে এটি খারিজ করে দেন

রাজ্য বিধানসভার এবারের নির্বাচনে মমতার মূল তৃণমূল কংগ্রেস ২৯৪ আসনের মধ্যে ৮০ আসনে জয়লাভ করেছিল এবং ২০৮ আসন পেয়েছিল।

দলবিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য আবেদন জানান রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের কাছে।

ঋতব্রতের সঙ্গে থাকা এই বিদ্রোহী ১০ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ খারিজের আবেদনের শুনানি হয় রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের দরবারে।

দলের দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলে মমতার দলের ৬৫ জন বিধায়ক ঋতব্রতের গড়া আলাদা দলে যোগ দেন।

যেটি ছিল ১৯৮৬ সালের দলবিরোধী আইন, তা এখন কার্যত অকার্যকর।

মমতার দলের দুই অংশকে নির্বাচন কমিশন দুটি পৃথক নাম দিয়ে পৃথক প্রতীক বণ্টন করেছেন।

নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়ে সরকার গড়লে মমতার তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়।

স্পিকারকে তাঁরা জানান, যথাযথ আইন মেনে এই আবেদন করেননি মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়।

এখন অবশ্য তাঁরা মমতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন দল গড়েছেন।

মমতার দলের নাম হয়েছে ‘মমতা তৃণমূল কংগ্রেস’ আর ঋতব্রতের দলের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।