ইরানে যেকোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, সময়সূচি নিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প

প্রকাশিত: 2 মিনিট পাঠ
ইরানে যেকোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, সময়সূচি নিয়ে ভাবছেন ট্রাম্প
এক নজরে
  • বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরু হলে ইরান শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে পাল্টা হামলা চালাতে পারে, যা ইসরায়েলি নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে
  • সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিক গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানে হামলা চালানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন

একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন, বৈঠকের একটি অংশে ইরানে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর সম্ভাব্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত না নিলেও মার্কিন ও ইসরায়েলি র মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং তার এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইসরায়েলি নির্বাচনের আগেই এই হামলা চালানো হতে পারে।

একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, বৈঠকের বড় একটি অংশ জুড়ে ছিল ইরানে সামরিক অভিযান ফের শুরু করার বিষয়টি।

ইরান ধ্বংস হয়ে গেছে, এখন দুটি উপায়ের যেকোনো একটির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে—সহজ পথ অথবা কঠিন পথ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দল শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে একটি বৈঠকে মিলিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি পাল্টা প্রস্তাবের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা, যেখানে ইরানের পারমাণবিক ছাড় দেওয়ার দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইরান ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বিষয়গুলো দুই উপায়ের যেকোনও একটিতে এগোবে: সহজ পথ বা কঠিন পথ।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন কয়েক দিন আগে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডকে ইরানে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

ইরানে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি শেষ করতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডকে নির্দেশ দিয়েছে পেন্টাগন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ইরানের জ্বালানি খাত, অবকাঠামো এবং পারমাণবিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ব্যাপকভাবে বোমা হামলা চালানো হতে পারে।

আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, যা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতেই সব কার্ড রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যা সেরা, তিনি সেটাই করবেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দল যুদ্ধ এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে কয়েক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী কাতারের মাধ্যমে হওয়া আলোচনায় কোনও অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্পের সামনে সব পথই খোলা রয়েছে।

পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সামনে সামরিক বিকল্পগুলো তৈরি করে তুলে ধরাই

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।