রাখাইনে চীনের মূল লক্ষ্য বিনিয়োগ সুরক্ষা, গুরুত্ব পাচ্ছে ভারতকে মোকাবিলা

- এ জন্য মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গেও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ রাখছে দেশটি
- ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ‘অপারেশন ১০২৭’-এর পর আরাকান আর্মির সামরিক অভিযান জোরদার হয়
২০১৩ ও ২০১৭ সালে চালু হওয়া এসব পাইপলাইনে চীনের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার।
‘চায়নাস ক্যালকুলাস ইন ওয়েস্টার্ন মিয়ানমার’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের চেয়ে কিয়াউকফিউ এলাকায় নিজেদের বিনিয়োগ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করাই চীনের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।
রেলপথ ও মহাসড়কের মাধ্যমে অঞ্চলটিকে মান্দালয় এবং চীনের সীমান্তের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগও রয়েছে।
কারণ, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো এমন এলাকায় অবস্থিত, যেখানে সংঘাত চলছে অথবা আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিজেদের কৌশলগত বিনিয়োগ ও জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় মনোযোগ দিচ্ছে চীন।
রাখাইন রাজ্যে চীনের স্বার্থের কেন্দ্রে রয়েছে তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডর।
মালাক্কা প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমাতে কিয়াউকফিউ থেকে চীনের ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন নির্মাণ করেছে বেইজিং।
এগুলো মিয়ানমারে চীনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।
এ ছাড়া কিয়াউকফিউয়ে গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে চীনের।
পাশাপাশি মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে ইউনানের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে বেইজিং।
পাইপলাইন চালু থাকলেও টার্মিনাল ও পাম্পিং স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





