খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন জারির বিকল্প ছিল না: শাহবাজ শরিফ

- পিএমএল-এনের পার্লামেন্টারি পার্টির বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন জারি করা ছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না। পরিস্থিতি ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা হয়েছে, সম্ভবত ৯ মের ঘটনার (২০২৩ সালের এদিনে ইমরান খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা) পুনরাবৃত্তি ঘটানোর নির্দেশেই এমনটি করা হয়েছে।
’ .খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে ইমরানের দল. পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পাকিস্তানের সাবেক
পিটিআইয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আলোচনা প্রায় একটি সমঝোতায় পৌঁছে গিয়েছিল।
পাকিস্তানের সমৃদ্ধির জন্য খাইবার পাখতুনখাওয়ার মানুষ সব সময় ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
২০১৮ সালের মধ্যে পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হয়েছিল।
গত আড়াই বছরে খাইবার পাখতুনখাওয়ার পরিস্থিতির উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছে বলেও দাবি করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা না বলায় ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত দলটিরও সমালোচনা করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত পিটিআইয়ের প্রতিনিধিদল জানায়, তাদের প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সরকারকে বরখাস্ত করা হলো।
সারা দিন ধরে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সম্ভাব্য জরুরি অবস্থা জারির খবর প্রচার করা হয়।
পিটিআইয়ের প্রতিক্রিয়া ছিল মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক।
পিটিআই নেতাদের কী পরিণতি হয়েছে, সে বিষয়েও তেমন খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।
কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘোষণা আসে, প্রদেশে জরুরি অবস্থা এবং গভর্নরের শাসন জারি করা হয়েছে।
মনে হচ্ছিল, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় কী ঘটছে, তা টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ঠিকমতো প্রচার করছে না।
সরকার ও পিটিআইয়ের পাশাপাশি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) আলোচনায় যুক্ত হয়।
ইমরান খান কি ভুট্টোর ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছেন. দলটি দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেয়।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীসহ কয়েকজন সংবাদ সম্মেলন করে সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেন।
‘দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ’ মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদির সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছিল।
শাহবাজের অভিযোগ, খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক সরকার দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে।
বলা হচ্ছিল, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকবেন।
সরকারি ও বিরোধী দলের নেতারা প্রকাশ্যে ও আড়ালে একের পর এক বৈঠক করেন।
উদ্দেশ্য ছিল শেষ মুহূর্তে কোনোভাবে এই কঠিন সিদ্ধান্ত এড়ানো।
রোববার সকালে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো জানায়, মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালে প্রধানমন্ত্রী মাওলানা ফজলুর রহমানকে ফোন করেছেন।
খাইবার পাখতুনখাওয়ার সরকার বরখাস্ত করার পক্ষে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে সন্ত্রাসবাদ অন্যতম।
নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রদেশে সহিংসতা কমাতে খুব বেশি ভূমিকা রাখবে বলে মনে হয় না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়, প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এবং প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকারসহ
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





