আন্তর্জাতিকযাচাই চলছে

নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধের শেষ চাননি, হামাসের কাছে বন্দীদের মুক্তিতেও অনাগ্রহী ছিলেন: ইসরায়েলের সাবেক আলোচক

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধের শেষ চাননি, হামাসের কাছে বন্দীদের মুক্তিতেও অনাগ্রহী ছিলেন: ইসরায়েলের সাবেক আলোচক
এক নজরে
  • ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে ওই ওয়েবকাস্টের আয়োজন করা হয়
  • গাজা যুদ্ধ শুরুর দুই বছরের বেশি সময় পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি চুক্তির মাধ্যমে গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়
  • এ চুক্তির অধীন ইসরায়েলি কারাগারে বন্দী প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে এবং গাজায় আটক ২০ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়

বিষয়টিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে বলেও মনে করেন দেশটির অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল নিৎজান অ্যালন।

— নিৎজান অ্যালন, ইসরায়েলের অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল . অ্যালন ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির এক ওয়েবকাস্টে এসব কথা বলেন।

ইসরায়েল চাইলে গাজা থেকে আরও ‘অনেক আগেই জিম্মিদের মুক্ত করে আনার চুক্তি করতে পারত’; এতে সেখানে নিহত হওয়া বা খুন হওয়া ইসরায়েলি জিম্মিরা হয়তো প্রাণে বেঁচে যেতেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক এক আলোচক।

অ্যালন ২০২৫ সালের অক্টোবরের ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তিকে একটি ‘কৌশলগত সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

নিৎজান অ্যালন গত শুক্রবার বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা এই পর্যায়ে আরও অনেক আগেই পৌঁছাতে পারতাম—সম্ভবত এক বছর বা তার আগেই।

চুক্তিতে সই করার আগে ইসরায়েলকে ‘পূর্ণ বিজয়’ অর্জন করতে হবে—ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই দাবি ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেন অ্যালন।

তাহলে বন্দিদশায় নিহত বা খুন হওয়া কয়েকজন জিম্মি হয়তো জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারতেন।

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাস ও ইসরায়েল বন্দিবিনিময় করে।

গাজা যুদ্ধের শুরুতে জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।