মাইন বিস্ফোরণের দায় অস্বীকার, একই দিনে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ নর্থ কোরিয়ার

- একই দিনে পূর্ব উপকূল থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং
- সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার জন্য সাউথ কোরিয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে নর্থ কোরিয়া
- সাউথ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ কমান্ডের যৌথ তদন্তে বলা হয়েছে, নর্থ কোরিয়ার পুঁতে রাখা মাইনের কারণেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে
সাউথ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নর্থ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে পূর্ব সাগরের দিকে যায়।
সিউলের দাবি, সীমান্তের দক্ষিণ পাশে নর্থ কোরিয়ার সেনাদের পুঁতে রাখা মাইন থেকেই বিস্ফোরণ হয়েছে।
শুক্রবার নর্থ কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জংও বিস্ফোরণের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
সাউথ কোরিয়া ঘটনাটিকে ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে নর্থ কোরিয়াকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
সাউথ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটির সুনির্দিষ্ট ধরন ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
২০২৪ সালে কিম জং উন সাউথ কোরিয়াকে নর্থ কোরিয়ার ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করার পর সীমান্ত বিচ্ছিন্ন করার কার্যক্রম জোরদার করে পিয়ংইয়ং।
বিশ্লেষকদের মতে, সাউথ কোরিয়ার উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগের জবাবে শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে
একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাইন পোঁতা ও প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধেরও আহ্বান জানায় সিউল।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





