আন্তর্জাতিকযাচাই চলছে

সৌদির বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুতিদের, প্রতিহতের দাবি জোটের

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
সৌদির বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুতিদের, প্রতিহতের দাবি জোটের
এক নজরে
  • ১৯৯০-এর দশকে দেশটির উত্তরাঞ্চলে জায়েদি শিয়া সম্প্রদায়ের পুনর্জাগরণ আন্দোলন হিসেবে গোষ্ঠীটির উত্থান ঘটে
  • একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম সৌদি আরবের খামিস মুশাইত এলাকায় কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবিও করেছে গোষ্ঠীটি
  • সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ জোটের সদস্যরা ব্যাপক বিমান হামলা চালালেও হুতিদের পুরোপুরি পরাস্ত করতে পারেনি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন বদরুদ্দিন আল-হুতির নাম থেকে গোষ্ঠীটির ‘হুতি’ পরিচিতি এসেছে।

একসময় ইয়েমেন শাসন করা এই সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ পরে দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক প্রান্তিকতার শিকার হন।

২০১১ সালের আরব বসন্তের বিক্ষোভে ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল্লাহ সালেহ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর উত্তরাঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও সুসংহত করে হুতিরা।

ইয়েমেনে ইরানের প্রভাব বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন সৌদি আরব ২০১৫ সালের শুরুতে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে।

গোষ্ঠীটিকে ক্ষমতা থেকে সরানো এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে পুনর্বহাল করাই ছিল এ অভিযানের লক্ষ্য।

সাম্প্রতিক এসব হামলার পর সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত সংঘাতে হুতিদের ভূমিকা ও সামরিক সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।