গুলশান হামলা ২০১৬: হলি আর্টিজানে ২০ জিম্মির মৃত্যু

- ১ জুলাই ২০১৬ রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান ক্যাফেতে হামলা শুরু হয়; সেনাবাহিনীর অভিযানে পরদিন সকালে তা শেষ হয়
- নিহত ২৯ জন — ২০ জিম্মি, দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও পাঁচ হামলাকারী; একজন হামলাকারী জীবিত ধরা পড়ে
- নিহতদের বেশিরভাগ বিদেশি নাগরিক — ইতালি, জাপান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক
- হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীর জঙ্গি-বিরোধী অভিযানে নজরুল ইসলামসহ শীর্ষ জঙ্গি নিহত হন
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা হয়। ওই দিন রমজানের শেষ জুম্মা — ক্যাফেতে বসে ছিল অনেক বিদেশি ও বাংলাদেশি অতিথি। সন্ধ্যায় হামলাকারীরা ক্যাফেতে ঢুকে গুলি ও জিম্মি সংকট শুরু করে।
অভিযান ও হতাহত
সেনাবাহিনীর এলিট ইউনিট ২ জুলাই সকালে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ শেষে ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করে। হামলায় মোট ২৯ জন নিহত হন — ২০ জন জিম্মি (বেশিরভাগ বিদেশি — ইতালি, জাপান, ভারতসহ নানা দেশের নাগরিক), ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসতে গিয়ে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা এবং পাঁচ হামলাকারী; একজন হামলাকারী জীবিত ধরা পড়ে। ইসলামিক স্টেট এই হামলার দায় স্বীকার করলেও সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে স্থানীয় আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্কের কাজ বলে দাবি করে।
পরবর্তী অভিযান
হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিবিরোধী বড় অভিযান চালায়; এরই ধারায় প্রকাশিত তথ্যে ‘স্লিপার সেল’ খসড়ায় অভিযুক্তরা নিহত হন। এই দিনটি বাংলাদেশের জঙ্গিবিরোধী যুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে চিহ্নিত — রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নতুন করে সাজানো হয়।
সূত্র: উইকিপিডিয়া, বিবিসি নিউজ।
প্রশ্নোত্তর
হামলার দায় স্বীকার করেছিল কে?
ইসলামিক স্টেট (আইএস) দাবি করলেও বাংলাদেশ সরকার এটিকে স্থানীয় নয়া জেএমবির কাজ বলে অভিহিত করে।
অভিযানের নাম কী ছিল?
সেনাবাহিনী পরিচালিত অভিযানটি 'অপারেশন থান্ডারবোল্ট' নামে পরিচিত।