খাবার নিয়ে কনটেন্ট বানিয়ে তান্হা পেয়েছেন জার্মানির নিমন্ত্রণ

- জার্মানির খাবার, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা নিতে সাত দিনের এক বিশেষ সফরে গিয়েছিলেন তান্হা ইসলাম
- ২০২৩ সালে টিকটকের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগের আমন্ত্রণে নেপালেও গিয়েছিলেন
২০ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর ‘কালিনারি ট্রেন্ডস ইন জার্মানি’ শীর্ষক এই আয়োজন করে গ্যেটে ইনস্টিটিউট ও জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
’ এ জন্যই অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল বাজার ঘুরে দেখার পর্ব।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এই স্নাতক মূলত খাবারদাবার ও ভ্রমণবিষয়ক কনটেন্ট তৈরি করেন।
কারণ, শুধু নতুন খাবারের স্বাদ নেওয়াই নয়, খাবার কীভাবে একটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, তা-ও জানার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
তান্হা বলছিলেন, ‘জার্মানির খাবার বুঝতে শুধু রেস্তোরাঁয় গেলেই হয় না।
বার্লিনে পৌঁছানোর পর প্রথম দিনের সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক ক্ল্যারশেস বলহাউসের লুনা ডি’ওরো রেস্তোরাঁয় ছিল স্বাগত নৈশভোজ।
বার্লিনের রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে ব্ল্যাক ফরেস্টের স্থানীয় বাজার—নানা জায়গা ঘুরে তাঁর ঝুলিতে জমা হয়েছে নানা স্বাদ ও অভিজ্ঞতা।
ভর্তি–যুদ্ধের গল্প নিয়ে শিক্ষার্থীরা বানিয়েছেন চলচ্চিত্র, নাম অন্যপাতা. সফরের প্রায় তিন মাস আগে ফেসবুকে তান্হার সঙ্গে যোগাযোগ করে জার্মান দূতাবাস।
জার্মানির আঞ্চলিক খাবারের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে রন্ধনশিল্পী টোবি বেক তৈরি করেছিলেন নানা ধরনের পদ।
নিজ নিজ সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল বড় পর্দায় দেখিয়ে তাঁরা নিজেদের কাজ তুলে ধরেন, ভাগ করে নেন মজার সব অভিজ্ঞতা।
জানতে হয় মানুষ কোথা থেকে কী কিনছে, কোন খাবার বেছে নিচ্ছে।
কম দামের স্থানীয় বাজার, সাধারণ সুপারমার্কেট থেকে শুরু করে অভিজাত কাদেওয়ে শপিং সেন্টার—বিভিন্ন জায়গায় খাবার ও পণ্যের
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





