বিদ্যুৎ নেই, এমন এক প্রত্যন্ত গ্রামে কেন থাকেন ক্যাটরিনার মা?

বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ ক্যাটরিনা কাইফ। তার নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গ্ল্যামার, বড় বাজেটের ছবি আর তারকাখচিত জীবন। কিন্তু এমন দামি নায়িকার মা সুজানের জীবন অভিনেত্রীর জমকালো জীবনের তুলনায় একেবারেই আলাদা। মা থাকেন বিদ্যুৎহীন একটি প্রত্যন্ত গ্রামে।
চ্যানেল আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খ্যাতি ও বিলাসিতা থেকে দূরে তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত এলাকায় শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন সুজান; ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই কাজ নিয়েই তিনি এখন ব্যস্ত। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনেও একই চিত্র উঠে এসেছে—বলিউডের দামি নায়িকা ক্যাটরিনা, আর তার মা থাকেন বিদ্যুৎহীন গ্রামে।
পেশায় আইনজীবী সুজান কয়েক বছর আগে লন্ডন ছেড়ে তামিলনাড়ুর ওই গ্রামে চলে আসেন। সেখানে তিনি শিশুদের কল্যাণে দাতব্য কাজে নিজেকে যুক্ত করেছেন। ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সহজলভ্য নয়; ফলে আধুনিক সুবিধার বিলাসিতা সেখানে নেই বললেই চলে। এসি বা প্রাচুর্যের জীবন ছেড়ে অভিনেত্রীর মা বেছে নিয়েছেন একেবারে সাধারণ জীবন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা মানবিক উদ্দেশ্যটিই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে—শিশুদের জন্য কাজ করে যাওয়াকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছেন বলে বোঝা যায়।
ক্যাটরিনা নিজে এই গ্রামীণ জীবনে কতটা যুক্ত, মা সুজানের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ বা সাক্ষাৎ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে কিছু বলা হয়নি। সুজানের কাজ কতটা বিস্তৃত হয়েছে, বিদ্যুৎ সংকট সামাল দিয়ে তিনি কীভাবে চলেন—এসব বিষয়ে দুই সংবাদমাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য নেই।
হলিউড-বলিউডের গ্ল্যামারময় জগতের এক নায়িকা, আর তার আইনজীবী মা থাকছেন বিদ্যুৎহীন গ্রামে—এই বৈপরীত্য নেটপাড়ায় কৌতূহল তৈরি করেছে। মেয়ে যখন বড় পর্দায় বড় বাজেটের ছবিতে রোদেলা দেখা চলেছে, ঠিক তখনই মা সুজান নিজেকে ঘিরে রেখেছেন একটি বিদ্যুৎবিহীন গ্রামের সাদামাটা দুনিয়ায়। দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের বর্ণনায় ঘটনার মূল চিত্র একই; ফলে গল্পটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন পাওয়া যায়নি। শিশুদের জন্য কাজই যে তার দৈনন্দিন জীবনের কেন্দ্রবিন্দু, সেটি দুই প্রতিবেদনেই এক সুরে বলা হয়েছে।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও চ্যানেল আই—দুটি প্রতিষ্ঠিত বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।