পরপর দুইবার লিথ্যাল ইনজেকশন দেওয়ার পরও কীভাবে বেঁচে গেলেন ক্রিস্টা পাইক

- প্রথম ইনজেকশন দেওয়ার পরও তাঁর মৃত্যু না হলে প্রটোকল অনুযায়ী তাঁকে দ্বিতীয়বার ইনজেকশন দেওয়া হয়
- সাধারণত ৫ গ্রামের বেশি মাত্রায় ব্যবহার করা হলে এটি রেসপিরেটরি অ্যারেস্ট বা শ্বাসতন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং মস্তিষ্ককে অচল করে দিয়ে রোগীকে কোমায় নিয়ে যায়
- কখনো কখনো কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পেন্টবারবিটালের সঙ্গে একটি প্যারালাইটিক ওষুধ এবং পটাশিয়াম ক্লোরাইডসহ থ্রি ড্রাগ সিকোয়েন্স ব্যবহার করা হয়
পরপর দুইবার লিথ্যাল বা মারণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী ক্রিস্টা পাইক। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ন্যাশভিলে এই ৫০ বছর বয়সী নারীকে পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কোম্পানিগুলোও দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে এ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।
শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং শেষ খবর পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ফিরেছে এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন।
তবু বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ক্রিস্টা পাইকের শিরায় সঠিকভাবে ক্যানোলা করতে ব্যর্থ হয়েছিল কারা কর্তৃপক্ষ।
সে কারণে ওষুধ শিরার রক্তে না মিশে ত্বকের নিচে চলে গিয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে ক্রিস্টার রক্তে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা (থ্রম্বোসাইটোসিস) পরিলক্ষিত হয়।
চিকিৎসকদের মতে, শিরার মুখে রক্ত জমাট বেঁধে বা ক্লট হয়ে গিয়ে ওষুধকে শিরায় প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছিল।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





