অর্থনীতিনিশ্চিত [A]

১১ খাতে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক করলো এনবিআর

1 মিনিট পাঠ
১১ খাতে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক করলো এনবিআর — ছবি: চ্যানেল আই
১১ খাতে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক করলো এনবিআর — ছবি: চ্যানেল আই

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১১টি উৎপাদন ও সেবা খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের ভ্যাট অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। সিগারেট, ওষুধ, মোবাইল ফোন ও ব্যাংকিংসহ এসব খাতের করদাতাদের এখন থেকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

চ্যানেল আই জানিয়েছে, সিগারেট, ওষুধ, মোবাইল ফোন ও ব্যাংকিংসহ মোট ১১টি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও সেবা খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, সিগারেট, ওষুধ, মোবাইল ফোন, ব্যাংকিং ও বিমাসহ ১১টি খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। অর্থাৎ ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন থেকে সরাসরি অনলাইন ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে।

এনবিআরের এ সিদ্ধান্তকে কর আদায় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উভয় প্রতিবেদনেই আদেশ জারির সময়সূচি ও আওতাভুক্ত খাতের তালিকা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে খাতভেদে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ এই মুহূর্তে প্রকাশিত হয়নি। অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের এই বাধ্যবাধকতা কার্যকর হলে কর নেটওয়ার্কের ডিজিটাল ব্যবহার আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

দৈনন্দিন লেনদেনের ওপর সরাসরি এই আদেশের প্রভাব পড়বে। সিগারেট, ওষুধ, মোবাইল ফোন, ব্যাংকিং ও বিমার মতো খাতগুলোতে করদাতার সংখ্যা ও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। ফলে অনলাইন রিটার্নের মাধ্যমে এসব খাতের হিসাব নিরীক্ষা কর্তৃপক্ষের পক্ষে দ্রুত দেখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। দীর্ঘমেয়াদে করভিত্তি সম্প্রসারণেও এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও করদাতাদের প্রশিক্ষণের চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি আরও বড় করতে কর ব্যবস্থার এই আধুনিকায়ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদেশ কার্যকর হলে কোন সময়সূচিতে খাত-ভিত্তিক নিবন্ধন ও রিটার্ন গ্রহণ শুরু হবে, তা এখন দেখার বিষয়। করদাতা ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো আসেনি।

এই খবরটি চ্যানেল আই ও বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে।