ক্রীড়ানিশ্চিত [B]

৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে ব্যক্তিগত পদক এনে দিলেন জিন্নাত

1 মিনিট পাঠ
৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে ব্যক্তিগত পদক এনে দিলেন জিন্নাত — ছবি: dainikazadi
৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে ব্যক্তিগত পদক এনে দিলেন জিন্নাত — ছবি: dainikazadi
এক নজরে
  • জিন্নাত আক্তারের উশুতে ব্রোঞ্জ পদক
  • ৪০ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় পদক
  • সেমিফাইনালে চীনের ডি উইয়ের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ

৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের দ্বিতীয় পদক এনে দিয়েছেন উশু খেলোয়াড় জিন্নাত আক্তার। নারীদের ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে চীনের ডি উইয়ের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ পদক নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। জাপানে চলমান এশিয়ান গেমসের এই খবর জানিয়েছে চ্যানেল আই, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক আজাদী।

চ্যানেল আই জানিয়েছে, মঙ্গলবার নিশ্চিত হয়েছিল ৫২ কেজি মেয়েদের উশু ইভেন্টে বাংলাদেশের একটি পদক জেতা প্রায় নিশ্চিত। বুধবার ব্রোঞ্জ পদকের সুখবর এলো। সংবাদমাধ্যমটির হিসাবে, ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় ব্যক্তিগত পদক।

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুপা কিংবা সোনার স্বপ্নটা পূরণ হয়নি, তবে উশুতে ইতিহাস গড়েছেন জিন্নাত আক্তার। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, নারীদের ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টের সেমিফাইনালে চীনের ডি উইয়ের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। ভিন্নভাবে দৈনিক আজাদী তার খবরের শিরোনামে বলেছে, বাংলাদেশের প্রথম পদক নিশ্চিত করেছেন জিন্নাত। দৈনিক আজাদীর প্রতিবেদনে ১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের জন্য পদকের যে ইতিহাস লেখা হয়েছিল, সেটির উল্লেখও রয়েছে।

জিন্নাত আক্তারের ব্রোঞ্জ পদকের মাধ্যমে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পদক অর্জনের দীর্ঘ অপেক্ষার প্রেক্ষাপটটি স্পষ্ট হয়েছে, যদিও ‘প্রথম’ নাকি ‘দ্বিতীয়’ ব্যক্তিগত পদক—এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর শব্দচয়নে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। পদকের রং, ইভেন্ট ও খেলোয়াড়ের পরিচয় সম্বন্ধে তিনটি প্রতিবেদনই একমত।

উশুর সেমিফাইনাল ও পদক জেতার লড়াইয়ের বিস্তারিত পর্বগুলো প্রতিবেদনের এই অংশে রিপোর্ট করা হয়নি। জিন্নাত আক্তার কতবার প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছেন, মেডেল নিশ্চিত হওয়ার মুহূর্তটি কেমন ছিল—এসব বিবরণ পরের খবর হিসেবে আসবে। চলতি এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের জন্য পদকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সংবাদটি চ্যানেল আই, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক আজাদী—তিন প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যাচাই করা হয়েছে।