রানআউটসহ ক্রিকেটের যে সকল নিয়মে পরিবর্তন আনল আইসিসি

- ক্রিকেটের নিয়মে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)
- নতুন নিয়মে এখন পুরুষ, নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের জন্য আলাদা করে বলের মাপ
সময় নষ্ট ঠেকানো, নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের বলের মাপ-ওজন নির্দিষ্ট করা, ফিল্ডিংয়ের কিছু নিয়ম আরও স্পষ্ট করাসহ খেলার গতি বাড়াতে এসব পরিবর্তন এনেছে আইসিসি।
’ এক নজরে দেখে নেয়া যাক যে সকল নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে সময় নষ্ট করলে ব্যাটারকে দিতে হবে জরিমানা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বল মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত না হলে ব্যাটারকে প্রথমবার সতর্ক করবেন আম্পায়ার।
নতুন নিয়মে পুরুষ, নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের জন্য আলাদা আকার ও ওজনের বল নির্ধারণ করা হয়েছে।
পুরুষ ও নারী ক্রিকেটের সব সংস্করণের হালনাগাদ ‘প্লেয়িং কন্ডিশনসে’ এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ছেলেদের ও মেয়েদের ক্রিকেটের সব সংস্করণের হালনাগাদ নিয়ম প্রকাশ করেছে আইসিসি।
তৃতীয়বার এবং এরপর প্রতিবার অপরাধ করলে ফিল্ডিং দলকে ৫টি পেনাল্টি রান দেওয়া হবে।
বল ‘ফাইনালি সেটলড’ হওয়ার জন্য সেটি অবশ্যই বোলার বা উইকেটকিপারের হাতে থাকতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা আর নেই।
১ অক্টোবর বা এরপর শুরু হওয়া সব আন্তর্জাতিক সিরিজে নতুন নিয়মগুলো কার্যকর হবে।
পুরুষদের ক্রিকেট বলে মাপ ও ওজনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
কোনো ফিল্ডার বল থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বা অন্য ফিল্ডারের কাছে পাঠাতে গিয়ে ভুল করলে সেটিকে আর ওভারথ্রো বলা হবে না।
রানআউট বা স্টাম্পিংয়ের সময় কোনো ফিল্ডার বল হাতে ধরে স্টাম্প ভেঙেছেন বলে ধরা হবে তখনই, যখন বলটির ওপর তাঁর পুরো নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
শুধু হাতে বল ছুঁয়ে যাওয়ার সময় স্টাম্প ভেঙে গেলেই সেটিকে বল ‘ধরে রাখা’ হিসেবে গণ্য করা হবে না।
পরীক্ষামূলকভাবে দিনের বেলার টেস্টেও গোলাপি বল ব্যবহার করা যাবে, যদি দুই দল সম্মত হয়।
সময় নষ্ট করা, বলের আকার ও ওজন, ওভার-থ্রো, রানআউট ও স্টাম্পিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
আইসিসির ছেলেদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, ‘প্লেয়িং কন্ডিশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আধুনিক ক্রিকেটের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নিয়মগুলো তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটে বলের মাপ নির্দিষ্ট পুরুষ ক্রিকেটে ব্যবহৃত বলের আকার ও ওজনের নির্দিষ্ট সীমা আগে থেকেই ছিল।
রান আটকানো বা রানআউট করার উদ্দেশ্যে স্টাম্পের দিকে বল ছুড়ে দেওয়া হলে সেটি ওভার-থ্রো হিসেবে গণ্য হবে।
আজ থেকেই কার্যকর হওয়া এমসিসির ক্রিকেট আইনের সংশোধনও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসে কখন ‘সেটলড’ হয়েছে, তা নির্ধারণে আম্পায়ারকে এখন বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।
ক্রিকেট বল, ফিল্ডিংয়ের কিছু বিষয় আরও স্পষ্ট করার পাশাপাশি খেলার গতি বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
একই অপরাধ বারবার করলে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।
প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি
2টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।
নির্ভরযোগ্যতার স্তর: B · স্কোর 4
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই





