জাতীয়নিশ্চিত [A]

গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপসনামা দাখিল, পিপি বললেন আদালত আমলে নেননি

2 মিনিট পাঠ
গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপসনামা দাখিল, পিপি বললেন আদালত আমলে নেননি
এক নজরে
  • এদিন আসামিপক্ষ জামিননামার সঙ্গে একটি আপসনামা দাখিল করেন, কিন্তু আদালত আপসনামা গ্রহণ করেনি

সংসদ সদস্য থেকে পুলিশের রিমান্ডে—গাজী নজরুলের যত ঘটনা. পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিবারের আপসনামা আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

’ ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের পর জামিনে তাদের কোনও আপত্তি নেই বলে জানানো হয়েছে।

মামলায় গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে জামিন শুনানিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে একটি আপসনামা করেন তিনি।

সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন।

এতে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিন পেলে বাদী মো. মাসুম বিল্লাহের কোনও আপত্তি নেই বলে জানান।

আদালত বয়স ও নারী বিবেচনায় শুধু মাকছুদার জামিন মঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জানান, আদালত আপসনামা আংশিক গ্রহণ করেছেন।

এটাকে আপসনামা আংশিক গ্রহণ করা বলা যায় কি না, জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, ‘বলা যায়।

রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।

আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস-মীমাংসার ভিত্তিতে দুই আসামির জামিন চাওয়া হয়েছিল।

শুনানির সময় বাদী আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনে আপত্তি নেই বলে জানান।

তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রমাণ দেখুন— কেন নিশ্চিত বলছি

5টি স্বাধীন পত্রিকায় একই তথ্য মিলেছে — বক্তব্যটি যাচাইকৃত।

নির্ভরযোগ্যতার স্তর: A · স্কোর 10

মন্তব্য দেখুন / লিখুন

মন্তব্য লিখতে চাইলে নিচের ঘরে লিখুন। প্রতিটি মন্তব্য যাচাই করার পরেই প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন