কানাডা-রাশিয়া-সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার কিনবে সরকার

- তিন দেশ থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানি
- রাষ্ট্রীয় ও জি-টু-জি পদ্ধতিতে চারটি প্রস্তাব অনুমোদন
- মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তে ব্যয় প্রায় ৯৮৩ কোটি টাকা
কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চারটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। রাষ্ট্রীয় ও জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে এ আমদানির কথা জানিয়েছে বাংলা ট্রিবিউন; সমকালের প্রতিবেদনেও একই তথ্য রয়েছে। দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দেশ তিনটি, পরিমাণ ও আমদানির মোড় একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে রাষ্ট্রীয় ও জি-টু-জি পদ্ধতিতে ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চারটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৯৮৩ কোটি টাকা। সমকালের প্রতিবেদনের শিরোনামে ‘কানাডা-রাশিয়া-সৌদি আরব থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার টন সার কিনবে সরকার’—এভাবেই তথ্য দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, সার কেনা হবে বলে প্রস্তাব নয়, বরং কেনার চারটি প্রস্তাবই আগে অনুমোদিত হয়েছে কমিটির বৈঠকে।
চারটি প্রস্তাবের মধ্যে কোন দেশ কত পরিমাণ সার দেবে, প্রতি টনের দাম বা পরিবহণের সময়সূচি—এসব ভাগ করে দেওয়া হয়নি দুই প্রতিবেদনেই। তবে জি-টু-জি পদ্ধতিতে সরাসরি সরকার-সরকার চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশ থেকে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আনার কথা বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। সমকাল প্রতিবেদনে একই পরিমাণের কথা বলায় দুই সূত্রে তথ্য মিলে যায়।
বিদেশ থেকে সার আমদানির এই সিদ্ধান্ত কৃষকদের কাছে সারের দাম বা সরবরাহ কেমন প্রভাবিত করবে, তা নিয়ে দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে কোনো বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি। বর্তমান কৃষি মৌসুমে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করার সময়সীমা, সার দেশগুলো থেকে পাঠানো শুরু হবে কবে বা অর্থ পরিশোধের শর্ত কী—এসব তথ্যও পাওয়া যায়নি দুই প্রতিবেদনে।
এই সংবাদটি সমকাল ও বাংলা ট্রিবিউন—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যাচাই করা হয়েছে।