জাতীয়নিশ্চিত [A]

বাংলাদেশের ই-কমার্স সম্প্রসারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা

1 মিনিট পাঠ
বাংলাদেশের ই-কমার্স সম্প্রসারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা — ছবি: ASaber91 (BY)
বাংলাদেশের ই-কমার্স সম্প্রসারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা — ছবি: ASaber91 (BY)
এক নজরে
  • বাংলাদেশের ই-কমার্স সম্প্রসারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা
  • আগ্রহের কথা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • যুগান্তর ও ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে খবরটি নিশ্চিত

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মেটা। এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। যুগান্তর ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম—প্রতিবেদন প্রকাশ করে খবরটি নিশ্চিত করেছে।

যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা—পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এমন তথ্য জানিয়েছেন। দৈনিক ইত্তেফাকও লিখেছে, বাংলাদেশের ই-কমার্স সম্প্রসারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা। দুই শিরোনামের মিল থেকে বিষয়টি পরিষ্কার, দেশটির ডিজিটাল ও ই-কমার্স খাতে কাজ করতে মেটা ঢাকায় নিজস্ব কার্যালয় স্থাপনে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বেশ কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ এখন এসব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ঢাকায় অফিস চালু হলে স্থানীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ পেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের ই-কমার্স খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলেই প্রতিবেদনগুলোতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে মেটা বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

কবে, কীভাবে এবং কোন মডেলে মেটার অফিস চালু হবে—এসব বিস্তারিত দুই প্রতিবেদনেই প্রকাশ করা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বিবরণে খবরটি আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মেটার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার রয়েছে; ফলে সরাসরি অফিস খোলার আগ্রহটি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যেই প্রকাশ পেয়েছে। এমন আগ্রহ কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নির্ভর করবে প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর; তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ধরা হবে।

এই খবরটি যুগান্তর ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুই প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করা হয়েছে।