বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানে বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। bd24live ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানের কথা জানানো হয়েছে।
দুই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামেই একই বার্তা উঠে এসেছে। bd24live-এর খবরে বলা হয়েছে, ‘বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা দানে বিশেষ জোর দিতে হবে’; দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, ‘বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানে বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির’। দুটি প্রতিবেদনেই শিক্ষায় বাস্তবমুখিতা ও কর্মমুখীতা জোরদারের বার্তা অভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বক্তব্যটি রাষ্ট্রপতি কখন, কোথায়, কোন প্রেক্ষাপটে দিয়েছেন, তা দুই প্রতিবেদনের সংক্ষিপ্ত সূচনায় বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। শিক্ষা যেন কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তা নিশ্চিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নসহ নানা দিক নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে; তবে এই প্রতিবেদনে সেসব নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। শিক্ষাকে কীভাবে কর্মমুখী করা সম্ভব, তা নিয়েও সূচনায় বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। একই দিনে দুই সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হলেও, মূল বক্তৃতা বা পূর্ণ বিবৃতির পরিবর্তে শিরোনামভিত্তিক সূচনাই সামনে এসেছে।
তবুও দুই স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের খবরে উচ্চ পর্যায় থেকে শিক্ষানীতিতে বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী দৃষ্টিভঙ্গির ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার যে আহ্বান রয়েছে, সেটি সুস্পষ্ট। শিক্ষার গুণগত মান ও কর্মজীবনের সঙ্গে এর সংযোগ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘদিনের আলোচিত বিষয়; রাষ্ট্রপতির এই আহ্বান সেই প্রেক্ষাপটেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। শিক্ষাকে শুধু পাঠ্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কাজের বাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যে চর্চা রয়েছে, এ আহ্বানের সঙ্গে তার সামঞ্জস্যও বোঝা যায়। রাষ্ট্রপতির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য বা আনুষ্ঠানিক ভাষণের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ পেলে শিক্ষার কোন কোন দিককে কর্মমুখী করার কথা তিনি বলেছেন, তা পুরোপুরি বোঝা যাবে; ততদিন পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনগুলোই এই খবরের ভিত্তি।
এই খবরটি bd24live ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মিলিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।