সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

দুর্নীতির মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ার বার্টনের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই রায় দেন। বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম একই তথ্য প্রতিবেদন করেছে, ফলে ঘটনাটি স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য হয়েছে।
প্রতিষ্ঠিত দুই পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতির মামলায় সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ার বার্টনের দেশত্যাগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষাপটেই আদালত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। রায়ের তারিখ ও আদালতের পরিচয় দুই প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও মামলার নম্বর, অভিযোগের সম্পূর্ণ বিবরণ বা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কোনোটিতেই পুরোভাবে তুলে ধরা হয়নি; ফলে ওই বিষয়গুলো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের নামে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর স্ত্রীর দেশত্যাগে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ায় মামলাটি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকাকালীন ইমা ক্লেয়ার বার্টন দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে প্রতিবেদনগুলো থেকে বোঝা যায়। তবে তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন কি না, অথবা দুদক কোন ধরনের পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে—এসব বিষয়ে দুই প্রতিবেদনে কোনো তথ্য নেই। ঘটনার প্রেক্ষাপটে নওফেলের বিরুদ্ধে চলমান মামলার অগ্রগতি বা আসন্ন শুনানির তারিখও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আদালতের এমন রায় সাধারণত অভিযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষ্য-প্রমাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জারি করা হয়। প্রতিষ্ঠিত দুই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে রায়ের এই দিকটি যাচাইযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ঘটনার স্বাধীন যাচাইয়ের জন্য দুটি পত্রিকার প্রতিবেদনই যথেষ্ট ভিত্তি রেখেছে, তবে আদালতের রায়ের পূর্ণ নকল বা নিষেধাজ্ঞার নির্দিষ্ট মেয়াদ যাচাই করার সুযোগ প্রতিবেদনগুলোতে ছিল না।
এই খবরটি বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক ইত্তেফাক—দুটি প্রতিষ্ঠিত বাংলা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে।