হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযান: পাকিস্তান কি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জড়াবে

- এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি জানিয়েছেন, গত মাসে হুতিদের দখলে নেওয়া এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার একটি পাল্টা অভিযান শুরু করেছে
- গত আগস্টে স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো কার্যকর হলো সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যকার ‘মক্কা চুক্তি’
গত সোমবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত জোটের শীর্ষ কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
’ এ সিদ্ধান্তের ফলে সৌদি আরবের আক্রমণাত্মক অভিযানের বিপরীতে পাকিস্তানের ভূমিকা শুধু প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানেই সীমাবদ্ধ থাকছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্মিলিত প্রতিরক্ষা অঙ্গীকারের কার্যকর বাস্তবায়নে কমিটি অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অনুমোদিত চুক্তি এবং নিজ নিজ দেশের আইন মেনে যৌথ সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতার জোগানসহ সৌদি আরবে এর দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রিয়াদের এ জরুরি বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মাথায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, পাকিস্তানি বাহিনী ইতিমধ্যে সেখানে নিজেদের ভূমিকা পালন শুরু করেছে।
সোমবার রাতে রিয়াদ থেকে জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘তুরস্ক ও পাকিস্তানের বাহিনী এখানে একটি সহায়কের ভূমিকা পালন করছে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানকে জোরদার করতে সৌদিতে পাকিস্তানি ও তুর্কি সেনা মোতায়েনের বিষয়ে একমত হয়েছে এ প্রতিরক্ষা জোট।
’ তবে এ সামরিক বহরের আকার কেমন হবে কিংবা মূল ভূমিকা কী থাকবে, তা বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়নি।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতির কথা জানালেও আঙ্কারা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো (সৌদি আরবে) কোনো সেনা মোতায়েনের খবর নিশ্চিত করেনি।
আমরা নিশ্চিতভাবেই রিকনেসান্স বা শত্রুশিবিরের তথ্য সংগ্রহ এবং এ জাতীয় কাজের সঙ্গে জড়িত।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





