কাশ্মীরের মসজিদে একই খুতবার প্রস্তাব, ক্ষুব্ধ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা
- গত রোববার বোর্ড কাশ্মীরের প্রায় ১ হাজার ৫০০ আলেম ও ধর্মপ্রচারককে ডেকে বৈঠক করে
- অঞ্চলটির প্রধান মুসলিম ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুকও প্রস্তাবটিকে সরাসরি ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন
- আন্দ্রাবি বলেছেন, সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, কারণ এটি চার বছর ধরে প্রস্তুত করা হয়েছে
মোদি সরকার ২০১৯ সালে কাশ্মীরের আধা-স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে।
রাজনীতিক ও ধর্মীয় নেতারা অভিযোগ করেছেন, মুসলিমদের ধর্মীয় পরিসরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে সরকার।
প্রতিবাদের মুখে বোর্ডপ্রধান পরে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন।
এক ভারতীয় সংবাদপত্রকে আন্দ্রাবি বলেন, সমাজের নানা সমস্যা, বিশেষ করে মাদকাসক্তির মতো সামাজিক ব্যাধি মোকাবিলায় এ পদক্ষেপ জরুরি।
খুতবা ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী হলে মানা হবে না বলে আপত্তি তুললে তাদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি।
কাশ্মীরের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নঈম আখতার বলেন, মধ্যযুগে সুলতান বা খলিফার নামে কেন্দ্রীয় খুতবা হতো, কারণ তখন কাশ্মীর ছিল ইসলামি রাষ্ট্র।
কাশ্মীরের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সমালোচনার মুখে আন্দ্রাবি পরে তার বক্তব্য থেকে সরে এসে বলেন, সামাজিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন কি না, তা স্বাধীন আলেম ও ধর্মীয়
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- চ্যানেল আই-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ চ্যানেল আই




