বাল্যবন্ধু তৌফিকের বিদায়ে কিছু স্মৃতি

- পৃথিবীকে দেখার চোখ ছিল সরল, ভবিষ্যৎ ছিল সামনে, আর বন্ধুত্বের অর্থ ছিল একসঙ্গে থাকা, কথা বলা, হাসিঠাট্টা করা এবং একই সময়ের কিছু স্মৃতি নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখা
- দীর্ঘ সময় পাশাপাশি থাকা, গল্প করা, পুরোনো দিনের কথা মনে করা, জীবনের নানা বাঁক নিয়ে কথা বলা, এসবের মধ্যে দিয়ে বুঝতে পেরেছিলাম, সময় অনেক কিছু বদলে দিতে পারে, কিন্তু সত্যিকারের পুরোনো বন্ধুত্বের জায়গাটি সহজে বদলায় না
- কিছু মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বয়স গুনে শেষ করা যায় না
২০১৮ সালে লন্ডনে তৌফিকের সঙ্গে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা একসঙ্গে কাটানোর স্মৃতিটি আজ বারবার মনে পড়ছে।
আজ বুঝতে পারছি, কিছু সময়ের মূল্য আমরা তখন বুঝতে পারি না; সময় চলে যাওয়ার পর স্মৃতিই তার মূল্য আমাদের বুঝিয়ে দেয়।
এত বছর পর দুজন মানুষ যেন আবার নিজেদের কৈশোরের দিনগুলোর কাছে ফিরে গিয়েছিলাম।
আমরা ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে পড়েছি।
সময় তাঁদের আমাদের জীবন থেকে দূরে নিয়ে যায়, যোগাযোগ থেমে যায়, পথ আলাদা হয়ে যায়, তবু কোথাও একটি অদৃশ্য সুতা থেকে যায়।
অসুস্থ একজন বন্ধুর পাশে থাকা, তার চিকিৎসার খবর নেওয়া, কথা বলা কিংবা কখনো শুধু নীরবে পাশে বসে থাকা, এসব মুহূর্তের কোনো হিসাব থাকে না।
কখনো সে সেখানে এসেছে, কখনো আমি লন্ডনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছি।
বয়স বেড়েছে, জীবনের অভিজ্ঞতা বেড়েছে, আমাদের দায়িত্ব ও অবস্থান বদলেছে, কিন্তু পুরোনো বন্ধুত্বের সেই পরিচিত অনুভূতিটা কোথাও যেন রয়ে গিয়েছিল।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





