ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ্যে, জানা গেল নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ

- ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়
- এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর ভোররাতে গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজের বাসায় অসুস্থ বোধ করেন নানা পাটেকর
খবর এনডিটিভির ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে হৃদ্যন্ত্রের বাঁ দিকের প্রধান করোনারি ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হয়।
‘মারা গেলে কেউ মনে রাখবে না’, বলেছিলেন নানা. অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও চিত্রনাট্য লেখার কাজও করেছেন নানা।
প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন চিকিৎসকেরা।
আজ গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ময়নাতদন্তের ফল নিশ্চিত করেন।
প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছিল গোয়া পুলিশ।
প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে কখনো কঠোর, কখনো আবেগপ্রবণ, আবার কখনো জটিল মানসিকতার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি।
রাত আড়াইটার দিকে এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়ে শরীর খারাপ লাগা ও বুকের বাঁ পাশে ব্যথার কথা জানান তিনি।
ভোর চারটার দিকে ওই বন্ধু নানার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে ঘামতে ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখেন।
ভোরের দিকে মণিপাল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।
চার দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবন হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন নানা পাটেকর।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





