অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করবেন না বলে কাজ ছেড়েছিলেন এই সাত তারকা

- এমন অভিজ্ঞতার পর কেউ কোনো সিরিজ ছেড়েছেন, কেউ বড় সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন, আবার কেউ পরবর্তী ক্যারিয়ারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন—নির্দিষ্ট ধরনের অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আর অভিনয় করবেন না
- ১৯৯৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে স্নাইডার বলেছিলেন, এমন একটি ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করাটা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে গিয়েছিল
- স্নাইডার বহু বছর পর জানান, দৃশ্যটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পর্কে তাঁকে আগে জানানো হয়নি
বিশেষ করে কোনো দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে, শুটিংয়ের সময় ব্যক্তিগত সীমারেখা উপেক্ষা করা হলে কিংবা চিত্রনাট্যের বাইরে কিছু করতে চাপ দেওয়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
বের্তোলুচ্চি পরে স্বীকারও করেন, অভিনেত্রীর কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য তিনি বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন।
কিছু র দাবি ছিল, প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ‘গ্রাফিক’ বা দর্শক টানার উদ্দেশ্যে অন্তরঙ্গ দৃশ্য করার জন্য অভিনেত্রীকে চাপ দেওয়া হতো।
মারিয়া স্নাইডার মারিয়া স্নাইডারের ঘটনা হলিউডের বাইরেও চলচ্চিত্র ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি।
ছবিতে মার্লন ব্র্যান্ডোর সঙ্গে তাঁর এক অন্তরঙ্গ দৃশ্য পরবর্তী সময়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়।
স্নাইডার ওই অভিজ্ঞতাকে গভীরভাবে অপমানজনক বলে বর্ণনা করেছিলেন।
দ্য ইয়ার্কারের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ছবির শুটিংয়ের পর স্নাইডার মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াই করেন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর ক্যারিয়ারও বড় ধাক্কা খায়।
একটি চরিত্র তাঁকে খ্যাতি দিয়েছিল, কিন্তু সেই চরিত্রের অন্তরঙ্গ দৃশ্যই শেষ পর্যন্ত তাঁর ক্যারিয়ারের ওপর দীর্ঘ ছায়া ফেলেছিল।
বার্নার্দো বের্তোলুচ্চির ‘লাস্ট ট্যাঙ্গে ইন প্যারিস’ তাঁকে রাতারাতি পরিচিতি দিয়েছিল।
রুথ উইলসন রুথ উইলসন অভিনীত ‘দ্য অ্যাফেয়ার’ ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





