পূর্বাচলে মিষ্টিমুখের নতুন ঠিকানা, পাবেন নানা স্বাদের মিষ্টি

- বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই কড়াইয়ে মিষ্টি ভাজার দৃশ্য, গরম রসের ঘ্রাণ আর ক্রেতাদের ভিড়ে জায়গাটি বেশ রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকত
- যেই দোকানে শুধু নীলা মার্কেটের মিষ্টিই নয়, পাবেন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মিষ্টি
- একটা সময় হাঁসের মাংস নীলা মার্কেটের জনপ্রিয় খাবার হয়ে উঠলে মিষ্টির সেই ক্রেজে কিছুটা ভাটা পড়ে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাহারি মিষ্টির সমাহারে দোকানটি হয়ে উঠছে মিষ্টিপ্রেমীদের নতুন ঠিকানা।
নীলা মার্কেট বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ১০ টাকার অটো ভাড়ায় চলে আসি পূর্বাচলের বড়ুলিয়া চত্বর।
সামনে এগোতেই গেটের দুপাশে গাড়ির সারি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, ভেতরের মানুষজন সব মহারাজার সুইটসে মিষ্টিমুখ করছেন।
সুন্দর করে টেবিল-চেয়ার দেওয়া আছে, রয়েছে একসঙ্গে প্রায় ১৫০ জনের খাওয়ার ব্যবস্থা।
ঢাকার যেসব জায়গার হান্ডি না খেলেই নয়. যেহেতু মিষ্টির খোঁজে এসেছি, শুরুতেই তাই ক্যাশ কাউন্টারের পাশে কাচের শোকেসবন্দী হরেক রকমের মিষ্টি দেখতে গেলাম।
পূর্বাচলের নীলা মার্কেটের মিষ্টির সেই পুরোনো স্বাদ ও ঐতিহ্য যেন নতুন করে ফিরেছে মহারাজা সুইটসে।
ছোট ছোট ছাউনির নিচে গড়ে ওঠা মিষ্টির দোকানগুলো ছিল একসময় পূর্বাচলের নীলা মার্কেটের মূল আকর্ষণ।
এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল কড়াই থেকে সদ্য তুলে দেওয়া গরম-গরম মিষ্টি।
বিশেষ করে বড় আকৃতির বালিশ মিষ্টি নীলা মার্কেটের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল।
দোকানটির দেয়ালে আঁকা হয়েছে পালকির আদলে গড়া দেয়ালচিত্র, আছে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি।
মিষ্টি ঘিরে যাত্রা শুরু করা মহারাজা এখন বেকারি আইটেম, কাবাব, কফিসহ অনেক রকম খাবার নিয়ে এসেছে।
প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক
একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।
- প্রথম আলো-এ একই তথ্য প্রকাশ করেছে↗ প্রথম আলো





