বিনোদনযাচাই চলছে

১ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি কীভাবে সামলান সাবা

প্রকাশিত: 1 মিনিট পাঠ
১ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি কীভাবে সামলান সাবা
এক নজরে
  • সাক্ষাৎকারে সাবাকে প্রশ্ন করা হয়, পরিবারের এই উত্তরাধিকারের আর্থিক মূল্য কি ১ হাজার কোটি রুপির বেশি
  • সম্প্রতি শিট দ্য পিপল টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের এই দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন সাবা পতৌদি
  • সাবা জানান, ভোপালের এই প্রকল্পের সঙ্গে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থাও জড়িত

বরং ভোপালের নবাব পরিবারের হাজার কোটি রুপির সম্পদ ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের দেখভালের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সাবা।

ট্রাস্টের অধীন মসজিদ ও অন্যান্য স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও সামলান সাবা।

এ কাজে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হলেও সেই অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করা হয় না, কিংবা ভারতে ফিরিয়ে এনে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে ভোগ করা হয় না বলে জানান তিনি।

সাবার মতে, এই দায়িত্ব তাঁর বাবা তাঁকেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল, পরিবারের এই উত্তরাধিকার সামলানোর জন্য মেয়েই বেশি উপযুক্ত।

বলিউডের তারকা সাইফ আলী খান ও সোহা আলী খানকে পর্দায় দেখা গেলেও তাঁদের বোন সাবা আলী খান বরাবরই থেকেছেন প্রচারের আলো থেকে দূরে।

জানিয়েছেন, তাঁর বাবা, প্রয়াত মনসুর আলী খান পতৌদি—ক্রিকেটবিশ্বে যিনি ‘টাইগার পতৌদি’ নামে পরিচিত—নিজেই পরিবারের এই ঐতিহ্য এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

ভোপালের নবাব পরিবারের সঙ্গে যুক্ত এই ট্রাস্টের অধীনে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পদের দেখভাল করা তাঁর দায়িত্বের অংশ।

ভোপাল থেকে হজ করতে যাওয়া মানুষদের থাকার সুবিধা নিশ্চিত করতে সেখানে ঐতিহ্যবাহী অতিথিশালা বা রুবাতের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রমাণ দেখুন— কেন একক/আংশিক

একটি মাধ্যমেই এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আরও স্বাধীন সূত্রে না মেলা পর্যন্ত এটি একক সূত্রের তথ্য হিসেবেই থাকে।